অবশেষে সংবাদ সম্মেলন করে ৫০ হাজার টাকা জরিমানার ব্যাখ্যা দিলেন ওসমানীনগর ইউএনও।

অবশেষে সংবাদ সম্মেলন করে ৫০ হাজার টাকা জরিমানার ব্যাখ্যা দিলেন ওসমানীনগর ইউএনও।
সিলেটের ওসমানীনগরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে (ইউএনও) “আপা” ডাকায় মিষ্টির দোকানের কর্মচারীকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানার অভিযোগের সংবাদ বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর সংবাদ সম্মেলন করেছেন ইউএনও মুনমুন নাহার আশা।
গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টার দিকে উপজেলা পরিষদের সম্মেলনকক্ষে এ সংবাদ সম্মেলন করা হয়।
সংবাদ সম্মেলনে ইউএনও মুনমুন নাহার আশা সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বলেন:- যে কেউ আমাকে ‘‘আপা’’ বললে সেটা কোনো দণ্ডনীয় অপরাধ নয়, আপা বা খালাম্মা ডাকতেই পারে।
তিনি দাবি করেন:- আপা ডাকার জন্য তিনি ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করেননি। বরং বাসি মিষ্টি রাখার অভিযোগে জরিমানা করেছেন।
প্রসঙ্গত, গত ২৯ মে তাজপুর বাজারে বনফুলে মিষ্টি কিনতে যান ইউএনও মুনমুন নাহার আশা। এ সময় মান্নান নামের দোকানের এক কর্মচারী দোকানে বাসি মিষ্টি রাখার কথা স্বীকার করেন এবং তাঁর সঙ্গে রূঢ় আচরণ করেন।
পরে, তাঁর পরিচয় জানতে পেরে ক্ষমা চাইতে গিয়ে বলেন, “আপা” ভুল হয়েছে, আমাকে মাফ করে দেন। এর পরপরই তাঁকে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
এদিকে, মোটা অঙ্কের টাকা জরিমানা হওয়ায় মান্নানকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করে বনফুল কর্তৃপক্ষ। বিষয়টি স্থানীয় সংসদ সদস্য পর্যন্ত গেলে আব্দুল মান্নানের চাকরি বহাল হয়, তবে তাঁকে কারখানায় বদলি করা হয়।
Cumillar Voice’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
