For Advertisement
তৃণমূলের মতামত উপেক্ষা করে অযোগ্য-অদক্ষ নেতৃত্বের কমিটি ঘোষণায় কুমিল্লা উত্তর এনসিপিতে পদত্যাগের হিড়িক।

তৃণমূলের মতামত উপেক্ষা করে অযোগ্য-অদক্ষ নেতৃত্বের কমিটি ঘোষণায় কুমিল্লা উত্তর এনসিপিতে পদত্যাগের হিড়িক।
তৃণমূলের মতামতকে উপেক্ষা করে অযোগ্য অদক্ষ নেতৃত্বের মাধ্যমে কমিটি গঠন, কমিটি ঘোষণার দুই মাস অতিবাহিত হলেও ইউনিয়ন এবং উপজেলা পর্যায়ে কমিটি করতে সাংগঠনিকভাবে কোন পদক্ষেপ না নেওয়া এবং পকেট কমিটি করার পায়তারা করা।
গত ১০ ই জুলাই সম্প্রতি ঘোষিত কুমিল্লা উত্তর জেলা কমিটির পরিচিতি ও মতবিনিময় সভায় ৯৩ জন সদস্যের মধ্যে ৩০ জন সদস্যকেও উপস্থিতি করতে ব্যর্থ হওয়াসহ নানাহ সাংগঠনিক কার্যক্রমে চরম ব্যর্থতার দাবি তোলে ইতিমধ্যে কুমিল্লা উত্তর জেলা এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক মিনহাজুল হক, সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব জসিম উদ্দিন মোল্লা।
সাংগঠনিক সম্পাদক শফিকুল ইসলাম, সদস্য এনামুল আলম ও সাজ্জাদ হাসান সাব্বির সহ ৮ জন নেতা গত ১৭ জুলাই শুক্রবার রাতে তাদের দলীয় হোয়াটস আপ গ্রুপে দল থেকে পদত্যাগ করেছেন। আরো আড়াই ডজনের মত সদস্য পদত্যাগ করতে পাইপ লাইনে আছে বলে মুরাদনগর উপজেলা স্থানীয় এনসিপি সমন্বয় কমিটি সূত্রে জানা গেছে।
জেলা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক মিনহাজুল হক তার লিখিত পদত্যাগে বলেছেন, গণতান্ত্রিক উপায়ে সবার মতামতে আমরা উপজেলা হতে আহবায়ক হিসেবে প্রস্তাব করি এমএ জাহের মুন্সীকে আহবায়ক এবং জসিম উদ্দিন মোল্লাকে সদ্যস্য সচিব করে কুমিল্লা উত্তর জেলা কমিটি কেন্দ্রীয় কমিটিতে প্রেরণ করেন।
কিন্তু কমিটি যখন প্রকাশ করে তখন তাদের নাম দেখতে পাইনি। কতগুলি বিতর্কিত ও অদক্ষ-অযোগ্যদের নেতৃত্বে আনা হয়েছে কমিটিতে। কমিটিতে যোগ্যদের মূল্যায়ন করা হয়নি। আমি জেলা কমিটির আহবায়ক বিতর্কিত ব্যক্তি গোলাম কিবরিয়া সরকারকে সহ অযোগ্যদের বহিষ্কারের দাবি করছি এবং এই বিতর্কিত কমিটি ভেঙ্গে নতুন করে ঢেলে সাজানোর দাবিও জানাচ্ছি। তিনি বলেন, এসব বিতর্কিতদের বিরুদ্ধে আমি প্রতিবাদ করে দল থেকে পদত্যাগ করেছি।
জেলা কমিটির আরেক নেতা সিনিয়র যুগ্ম সদস্য সচিব জসিম উদ্দিন মোল্লা জানান, ৬ মাস মেয়াদের কুমিল্লা উত্তর জেলা এনসিপি কমিটির দুই মাস অতিবাহিত হয়ে গেছে অথচ উপজেলা, ইউনিয়ন ও ওয়ার্ডের কমিটি গঠন করতে ও তৃণমূলকে উজ্জীবিত করার জন্য কোন সাংগঠনিক পদক্ষেপ নেয়নি জেলা কমিটি।
কমিটির কয়েকজন শীর্ষ নেতা পকেট কমিটি করার পায়তারা করছে, উপজেলা গুলোতে সাংগঠনিকভাবে উপজেলাগুলোতে সফরের কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছেনা। তাই আমি লিখিতভাবে জেলা কমিটির সদস্যদের দিয়ে চারটি কমিটি করার প্রস্তাব দেই, প্রতিটি কমিটিকে ২টি উপজেলার দায়িত্ব দেওয়া হোক।
কমিটি গুলোর কাজ হবে উপজেলা সমন্বয় কমিটির সাথে বৈঠকে মিলিত হয়ে ইউনিয়ন ও ওয়ার্ড পর্যায়ের দলের সার্বিক পরিস্থিতি জানা ও সকল পর্যায়ের কমিটি করার পদক্ষেপ নেওয়া। এতে করে তৃণমূল উজ্জীবিত হবে এবং তৃণমূলে ঘরে ঘরে পৌঁছে যাবে এনসিপি বার্তা । আমার এই প্রস্তাব ওই নেতারা সরসসরি নাকচ করে দেন।
আমার এই প্রস্তাব কুমিল্লার দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় নেতা সহ কমিটির অনেক নেতৃবৃন্দের কাছে পাঠিয়েছি। যেখানে তৃণমূলই হল দলের প্রাণ সেখানটাকে উজ্জীবিত করার ব্যর্থতা নিয়ে আমি দল থেকে পদত্যাগ করেছি। নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনসিপির জেলা কমিটির এক নেতা বলেন, সত্যি কথা বলতে কি নব্য ঘোষিত এনসিপির জেলা কমিটি একটা সিন্ডিকেটের কাছে জিম্মি হয়ে গেছে, এখানে ভালো কিছু আশা করা যায় না।
জেলা সদস্য সাজ্জাদ হাসান সাব্বির বলেন, আমি আমার নিজ এলাকা দাউদকান্দিতে খবর নিয়ে দেখি এখানে এনসিপির গত বছরখানে কোনো কার্যক্রম নেই, জেলা কমিটিরও এসব নিয়ে কোন মাথা ব্যাথা নেই, তাই আমি দল ছেড়ে দিয়ে, পদত্যাগ করলাম,কুমিল্লা উত্তর এনসিপিতে পদত্যাগের হিড়িক।
Cumillar Voice’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।
সর্বশেষ
For Advertisement
প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : কাজী ফাতেমা আক্তার বৃষ্টি
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : জাগুরঝুলি বিশ্ব রোড, আদর্শ সদর, কুমিল্লা ৩৫০০.
+880 0161812800
ইমেইল : cumillavoice20@gmail.com
Developed by RL IT BD
মন্তব্য