For Advertisement
ঢাকা রাজধানীর দক্ষিণখানে ৫ হাজার ৩১০ পিস ইয়া’বা সহ ডিএমপির পল্লবী থানার এএসআই শফিকুল ইসলাম ও তার সহযোগী ওয়াসিম গ্রে’প্তার।

ঢাকা রাজধানীর দক্ষিণখানে ৫ হাজার ৩১০ পিস ইয়া’বা সহ ডিএমপির পল্লবী থানার এএসআই শফিকুল ইসলাম ও তার সহযোগী ওয়াসিম গ্রে’প্তার।
রোববার মধ্যরাতে আজমপুর কাঁচাবাজারের বিসমিল্লাহ পল্লী এলাকা থেকে প্রথমে ওয়াসিমকে ৫০ পিস ইয়া’বা সহ আ’টক করা হয়। পরে তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে একটি ফ্ল্যাটে অভিযান চালিয়ে শফিকুল ইসলামকে আ’টক করা হয়। সেখানে বিভিন্ন প্যাকেট থেকে আরও ৫ হাজার ২৬০ পিস ই’য়াবা উদ্ধার করা হয় বলে মা’মলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে।
পুলিশের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে তারা দক্ষিণখান ও আশপাশের এলাকায় ই’য়াবা বিক্রির কথা জানিয়েছে।
এ ঘটনায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মা’মলা হয়েছে।
তবে শফিকুল ইসলাম সত্যিই পুলিশের এএসআই হিসেবে কর্মরত ছিলেন কি না, তা নিয়ে স্থানীয় পুলিশ কর্মকর্তারা তদন্তের কথা জানিয়েছেন। পল্লবী থানার ওসি জানান, তিনি সেখানে যোগ দেওয়ার পর মাত্র ৮-১০ দিন দায়িত্ব পালন করেছিলেন, এরপর থেকে অনুপস্থিত ছিলেন।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর একজন সদস্যের বিরুদ্ধেই যদি এমন গুরুতর অভিযোগ ওঠে, তাহলে বিষয়টির নিরপেক্ষ তদন্ত ও সত্যতা দ্রুত সামনে আসা জরুরি। রাজধানী ঢাকা বিভাগ বাংলাদেশ।
For Advertisement
Cumillar Voice’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।














মন্তব্য