For Advertisement
নেতার শক্তি কর্মী, কর্মীর শক্তি জনগণ।

নেতার শক্তি কর্মী, কর্মীর শক্তি জনগণ।
একজন নেতার প্রধান দায়িত্ব হলো সাংগঠনিকভাবে দক্ষ ও ত্যাগী কর্মী তৈরি করা। আর একজন কর্মীর দায়িত্ব হলো জনগণের সঙ্গে সম্পৃক্ত হয়ে সংগঠনের পক্ষে জনসমর্থন তৈরি করা। কিন্তু দুঃখজনকভাবে বর্তমান রাজনীতিতে এর সম্পূর্ণ বিপরীত চিত্রই অনেক ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে।
কেউ কর্মী তৈরির পরিবর্তে নিজস্ব বলয় গড়ে তুলতে ব্যস্ত, আবার কেউ জনগণের সমর্থনকে সংগঠনের শক্তিতে রূপান্তর না করে ব্যক্তি স্বার্থ, পদ-পদবি ও ক্ষমতার হিসাব-নিকাশেই বেশি মনোযোগী।
রাজনীতির মূল শক্তি কোনো ব্যক্তি বা পদ নয়—সংগঠন, কর্মী ও জনগণ।
মনে রাখতে হবে, নেতার শক্তি তার কর্মী; আর কর্মীর শক্তি জনগণ। কর্মী যদি সংগঠনের প্রতি নিবেদিত থাকে এবং জনগণের সঙ্গে তার সম্পর্ক দৃঢ় হয়, তাহলেই একটি রাজনৈতিক সংগঠন প্রকৃত অর্থে শক্তিশালী হয়ে ওঠে।
তাই সুস্থ ও জনকল্যাণমুখী রাজনীতির স্বার্থে ব্যক্তি নয়, সংগঠনকে শক্তিশালী করতে হবে।
পদ-পদবির চেয়ে ত্যাগী ও নিবেদিত কর্মীদের মূল্যায়ন করতে হবে। রাজনীতির লক্ষ্য হওয়া উচিত মানুষের কল্যাণ ও সংগঠনের শক্তি বৃদ্ধি—ব্যক্তিস্বার্থ, বলয় কিংবা পদ-পদবির হিসাব নয়।
রাজনীতি হোক সংগঠন ও মানুষের জন্য, ব্যক্তিস্বার্থের জন্য নয়।
For Advertisement
Cumillar Voice’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।














মন্তব্য