For Advertisement
বাবার এজলাসে বসে বিচারক হওয়ার স্বপ্ন, চার দশক পর আপিল বিভাগের বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথ।

বাবার এজলাসে বসে বিচারক হওয়ার স্বপ্ন, চার দশক পর আপিল বিভাগের বিচারপতি কৃষ্ণা দেবনাথ।
শৈশবেই বাবার এজলাসে বসে বিচারকার্য দেখতেন কৃষ্ণা দেবনাথ। বাবার কর্মস্থলের আদালতে বিচারকের কার্যক্রম দেখতে দেখতে তাঁর মনে জন্ম নেয় একটি স্বপ্ন—একদিন তিনিও বিচারক হবেন। সেই স্বপ্ন বাস্তবায়নে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন পড়েন। মাত্র ২৬ বছর বয়সে বিচারিক জীবনে প্রবেশ করে দীর্ঘ চার দশকের পথ পেরিয়ে জায়গা করে নেন দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে।
কৃষ্ণা দেবনাথ বাংলাদেশের বিচারাঙ্গনে এক উল্লেখযোগ্য নাম। একজন হিন্দু নারী হিসেবে বিচার বিভাগে দীর্ঘ কর্মজীবন পাড়ি দিয়ে আপিল বিভাগের বিচারপতির আসনে পৌঁছানো তাঁর জীবনের অন্যতম বড় অর্জন।
শৈশব থেকেই বিচারক হওয়ার স্বপ্ন
১৯৫৫ সালের ১০ অক্টোবর রাজবাড়ীতে জন্মগ্রহণ করেন কৃষ্ণা দেবনাথ। তাঁর বাবা দীনেশ চন্দ্র দেবনাথ ছিলেন বিচার বিভাগের কর্মকর্তা। বাবার বদলির চাকরির সুবাদে দেশের বিভিন্ন জেলায় তাঁর শৈশব কেটেছে।
বাবার কর্মস্থলের আদালতে বসে বিচার কার্যক্রম দেখার সুযোগই তাঁর মধ্যে বিচারক হওয়ার আগ্রহ তৈরি করে। ছোটবেলার সেই আগ্রহই ধীরে ধীরে পরিণত হয় জীবনের লক্ষ্যে।
১৯৭০ সালে সিলেট গার্লস স্কুল থেকে বিজ্ঞান বিভাগে ম্যাট্রিকুলেশন পাস করেন তিনি। বিচারক হওয়ার লক্ষ্য সামনে রেখে উচ্চমাধ্যমিকে মানবিক বিভাগে ভর্তি হন। রংপুরের বেগম রোকেয়া কলেজ থেকে উচ্চমাধ্যমিক শেষ করে ভর্তি হন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে। সেখান থেকে বি.জুর ও এম.জুর ডিগ্রি অর্জন করেন।
পড়াশোনা শেষে রাজশাহী জেলা আইন সমিতিতে আইন পেশায় যুক্ত হন তিনি।
২৬ বছর বয়সে বিচারিক জীবনে প্রবেশ
আইন পেশায় প্রায় এক বছর থাকার পর ১৯৮১ সালের ৮ ডিসেম্বর জুডিশিয়াল সার্ভিসে মুনসেফ, অর্থাৎ বর্তমান সহকারী জজ হিসেবে নিয়োগ পান কৃষ্ণা দেবনাথ। তখন ত
For Advertisement
Cumillar Voice’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।














মন্তব্য