প্রচ্ছদ / জেলার খবর / বিস্তারিত

For Advertisement

অপ্রতীম হত্যা: মোবাইল ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে হত্যার অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৩:

২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬:০৭:০১

অপ্রতীম হত্যা: মোবাইল ছিনতাইয়ের উদ্দেশ্যে হত্যার অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৩:

লালমাই পাহাড়ের নির্জন বনে নিয়ে যাওয়ার পর হামলা, মোবাইল ফোন উদ্ধার; আরও একজন আটক

কুমিল্লা প্রতিনিধি: কুমিল্লায় ১৩ বছর বয়সী ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতীম হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটনের দাবি করেছে পুলিশ। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, অপ্রতীমের মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে তাকে লালমাই পাহাড়ের সানন্দা এলাকার একটি নির্জন স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে তাকে বাঁশের লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করা হয় বলে জানিয়েছে পুলিশ।

এ ঘটনায় সাইফুল ইসলাম তুহিন (১৯), মোজাম্মেল হোসেন ফাহাদ (১৫) ও মো. কামরুল হাসানকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। একই ঘটনায় মো. সিয়াম (১৯) নামে আরও একজনকে আটক করা হয়েছে। তার সম্পৃক্ততার বিষয়ে তথ্য-প্রমাণ যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সিসিটিভি ফুটেজে তুহিনের অবস্থান শনাক্ত:

পুলিশ জানায়, অপ্রতীম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় একটি সাধারণ ডায়েরির (জিডি) ভিত্তিতে তদন্ত শুরু করা হয়। তদন্তের অংশ হিসেবে ঘটনাস্থল ও আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করা হয়।

ফুটেজ পর্যালোচনায় গত ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখ বিকেল আনুমানিক ৩টা ১৫ মিনিটে তুহিনকে অপ্রতীমের সঙ্গে লালমাই পাহাড়ের সানন্দা এলাকার নির্জন জঙ্গলের দিকে যেতে দেখা যায় বলে পুলিশ জানিয়েছে।

পরে অপ্রতীমের মরদেহ উদ্ধারের পর সিসিটিভি ফুটেজে তার সঙ্গে থাকা তুহিনকে হেফাজতে নেয় পুলিশ।

জিজ্ঞাসাবাদে মোবাইল ছিনতাইয়ের পরিকল্পনার কথা

পুলিশের দাবি, জিজ্ঞাসাবাদে তুহিন অপ্রতীমের মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে তাকে পরিকল্পিতভাবে ওই স্থানে নিয়ে যাওয়ার কথা স্বীকার করেছে।

তুহিনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ফাহাদকে হেফাজতে নেওয়া হয়। পরে ফাহাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী তার বন্ধু কামরুল হাসানকেও হেফাজতে নে�

For Advertisement

Cumillar Voice’র প্রকাশিত/প্রচারিত কোনো সংবাদ, তথ্য, ছবি, আলোকচিত্র, রেখাচিত্র, ভিডিওচিত্র, অডিও কনটেন্ট কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার করা যাবে না।

মন্তব্য